Photo Gallery
Visited by






We have: 1 guests, 1 bots online
Find us on Facebook
News
- মানহানি মামলা : মাহমুদুর রহমানের জামিনলাভ গোপালগঞ্জে
- গোপালগঞ্জে জামিন পেলেন মাহমুদুর রহমান
- আমার দেশ সম্পাদকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
- মুক্ত মাহমুদুর রহমানের আদালতে হাজিরা
- সত্য ও ন্যায়বিচারের সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা জানাই : উন্নতশির মাহমুদুর রহমান মুক্ত
- সাড়ে ৯ মাস পর মুক্তি পেলেন মাহমুদুর রহমান : আমার কলম-লড়াই অব্যাহত থাকবে
- সত্যের পক্ষে কলম লড়াই চলবে: মাহমুদুর রহমান
- মুক্তি পেলেন মাহমুদুর রহমান
- বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন সমাবেশ : ১৮ মার্চ মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি দেয়া না হলে কর্মসূচি
- চট্টগ্রামে পুলিশি বাধায় মানববন্ধন পণ্ড
Articles
- সেক্টর কমান্ডার জয়নাল আবেদিনের ভাগ্যে ডিভিশনটা আজও জোটেনি
- পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘জিরো টলারেন্স’ এখন তামাশা : সার্বভৌমত্ব আগেই গেছে, ভৌগোলিক স্বাধীনতাও যায়যায়
- চোখ বাঁধা প্রবীণ রাজনীতিকের পায়ের নখ উপড়ে ফেলা ছিল ন্যূনতম নির্যাতন
- সরকারের হেফাজতে সব মৃত্যুর হিসাব দিতে হয় না সেটাই বাস্তবতা
- রিমান্ডে নির্যাতন বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা দেশকে ’৭০-এর আর্জেন্টিনা-চিলিতে পরিণত করেছে
- টিএফআই সেলে নেয়ার বৈধতার প্রশ্ন কোর্টে তুললে সরকারপক্ষ বলে আমাকে নাকি সেখানে নেয়াই হয়নি
- চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরানো আমাকে নেয়া হলো জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষে, ঘরটি অতিরিক্ত ঠাণ্ডা
- যদি রাষ্ট্রদ্রোহ করেই থাকি, মহাজোট সরকারের উচিত আমাকে মিত্ররূপে বিবেচনা করা
- মরতেই যদি হয়, তাহলে অন্তত আততায়ীর চেহারা দেখে চিরতরে চোখ বন্ধ করতে চাই
- তিন আততায়ী বাংলাদেশের, না ভিনদেশের তাও কেউ জানে না
Most read
- দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা বন্ধে প্রতিবাদ র্যালি
- মাহমুদুর রহমানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা
- Mahmudur Rahman Awarded the title "Banglar Singhamanob" by Canadian Human Rights Group
- Arrest and Mistreatment of Publisher in Bangladesh
- আদালত অবমাননা মামলায় মাহমুদুরের শুনানি মুলতবি
- আদালত অবমাননা মামলায় মাহমুদুর রহমানের ৬ মাসের কারাদণ্ড
- মাহমুদুর রহমান ইতিহাসের সেই ধারাবাহিকতারই শিকার
- মুক্তি পেলেন মাহমুদুর রহমান
- বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন সমাবেশ : ১৮ মার্চ মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি দেয়া না হলে কর্মসূচি
- আমার দেশ সম্পাদকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা






তিনটে দিন শুয়ে-বসে আর গল্প করে কেটে গেল। মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জয়নাল ভাই ও মার্কিন নাগরিক ফয়সাল আনসারীর সঙ্গে বন্ধুত্ব ক্রমেই গাঢ় হচ্ছে। মেজর (অব.) জয়নাল আবেদিন অত্যন্ত ধার্মিক মানুষ, প্রতি সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর দীর্ঘক্ষণ ধরে জিকির করেন। সারারাত না ঘুমিয়ে ইংরেজিতে কোরআন শরীফের তফসির লিখছেন। এর মধ্যে তার একটা তফসির পড়েও ফেলেছি। ধর্ম বিষয়ে আমার এত জ্ঞান নেই যে, সেই তফসিরের মান সম্পর্কে মন্তব্য করতে পারি। তবে তফসির পড়তে আমার ভালোই লেগেছে। কোর্টে হাজিরা না থাকলে ফজরের নামাজ পড়ে ঘুমাতে যান এবং ওঠেন প্রায় দ্বিপ্রহরে। জয়নাল ভাই ঘুমাতে যাওয়ার খানিক আগে আমার দিন শুরু হয়। জেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমার একটা রফাও হয়েছে। অন্য বন্দিদের সেলের তালা সকাল ছ’টার পর খোলা হলেও আমারটা খুলে দেয়া হয় তার ঘণ্টাখানেক আগে। ফজরের নামাজ শেষ করে সেই সময় পর্যন্ত কারারক্ষীর আগমনের অপেক্ষায় থাকি। তালা খোলা হলে প্রাতঃকর্ম এবং গোসল শেষ করে সেলের সামনের টানা বারান্দায় চেয়ার পেতে বসে গরম হরলিক্সের মগে আমি যখন চুমুক দিই, তখন সাত নম্বর সেলের অপর বন্দিরা এক এক করে তাদের সেল থেকে বেরোতে থাকে। ফয়সাল আনসারীর অভ্যাস অনেকটা আমার মতোই। সেও বেশ সকালেই গোসলের ঝামেলা মিটিয়ে ফেলে। অবশ্য স্বাস্থ্য রক্ষার্থে গোসলের আগে আধঘণ্টাখানেক হাঁটাহাঁটি করে নেয়। আমার আবার ওই অভ্যাস কস্মিনকালেও ছিল না। এই বয়সে নতুন করে শুরু করতেও ইচ্ছে হয় না। তবে, আল্লাহ তাঁর অপার করুণা দিয়ে আমাকে যথেষ্ট সুস্থ রেখেছেন। সাড়ে সাতটায় ফয়সালের সঙ্গে দিনের প্রথম দফার আড্ডা শুরু হয়। এই ক’দিনে দুই বাবুই আমার রুটিন জেনে গেছে। ওরা ঘুম থেকে উঠে প্রথমে আমাদের জন্য গরম চা বানায়। আমবন্দির এই জেলজীবন একেবারে মন্দ কাটছে না।